প্রবেশদ্বার
ফেসবুক সদস্য

ই-বুক
ডাউনলোড
ইউনিকোড
অতিথি লেখক

অতিথি লেখক হিসেবে আদিবাসী বাংলা ব্লগে লিখতে চাইলে আপনার সুচিন্তিত লেখাটি w4study@gmail.com এ পাঠিয়ে দিন ।
অথবা ব্লগের নিয়মিত লেখক হতে চাইলে ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করে ব্লগে নিয়মিত লিখুন ।

মাতৃবন্দনা – একজন আদিবাসী চারণ কবির গীতিকবিতা

এই কবিতাটি রচিত হয়েছে আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে বাংলাদেশের একটি অবিকশিত আদিবাসী ভাষায়। ভাষাটির নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী এবং রচয়িতার নাম গোকুলানন্দ গীতিস্বামী। গোকুলানন্দ গীতিস্বামীকে (১৮৯৬-১৯৬৫ খ্রীঃ) ধরা হয় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সাহিত্যের পথিকৃৎ হিসাবে। তিনিই সর্বপ্রথম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের ভেতর জাতীয়তাবোধ ও মাতৃভাষার প্রতি চেতনা জাগ্রত করেন। বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আদিবাসী ব্লগের পাঠকদের জন্য কবিতাটির বাংলা অনুবাদ দেয়া

নরপশুরা এখনো ছোবল মারে

শলাবিজি চাকমা চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে সে বয়স মাত্র দশ কি এগার অন্য অনেকের মত বেড়ে উঠতে চেয়েছিল নিষ্পাপ এই পাহাড়ী শিশুটি, কিন্তু ওরা দেয়নি। সেদিন পড়ন্ত বিকেলে শিশুমন খেলছে রাখালিয়া ছন্দে অথবা লুকোচুরি গরুর পালে, এমনি সময়ে ওদের কেউ ঝাপটি মেরে ওকে টেনে ধরে অসভ্য আলিঙ্গনে তারপর শেষ ব্যবচ্ছেদ ধারালো অস্ত্রে, অতঃপর নিথর দেহ প্রশ্ন তোলে কেন এই বিভৎসতা ? কেন এই সাম্প্রদায়িকতা ? কোথায় আজ মানবতা ? শুধু সুজাতা নয় এভাবে কত মা-বোন ইজ্জত ও প্রাণ

জুম্ম নারী অধিকার আন্দোলন

সৌরভ দিয়্যা চাকমা* ইদানিং আমাদের জুম্ম (পাহাড়ি) নারী অধিকার বিষয়ক অনেক কথা-বার্তা, আলোচনা চলছে। গুটি কয়েক সন্মানিত নারী, অনেক জোর গলায় অনেক দাবি করছেন; সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই দাবি জোরদার করার জন্য তারা চেষ্টাও করছেন। নিঃসন্দেহে সমাজকে সচেতন করার চেষ্টা প্রশংসনীয়। এতে সবার সহযোগিতার দাবি রাখে। জুম্ম নারীরা আমাদের (আদিবাসী) সমাজে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমি যদিও নারীকে আলাদাভাবে দেখতে চাই না। আজ কেবল প্রসঙ্গক্রমে বলছি। আমি

বাংলাদেশের মণিপুরি সমাজ : তাদের আদিধর্ম ও ক্ষয়িষ্ণু সংস্কৃতি

বাংলাদেশের অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের থেকে মণিপুরিদের জাতিগত সংকট ও বিপর্যয়ের চেহারাটা কিছুটা ভিন্ন। মণিপুরিরা বাস করে সমতলে- বৃহত্তর সিলেট, মৌলবীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের নানান অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। তারা এসেছে মণিপুর নামের একটি প্রাগৈতিহাসিক ভূখন্ড থেকে, যে ভূখন্ডটি ১৮৯১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বৃটিশরা দখল করে নেয় …বাংলাদেশের অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বিশেষ করে পার্বত্য

চুপ থাক

আলোড়ন খীসা* ওই! চুপ থাক, তুই চুপ থাক আমার এ বসতি আমার গতরে নন্দিত হাজারো শ্বাপদের মুখ থেকে ছিনিয়ে আনা প্রিয় শিকার আমার ঘরের ভাঁজে লুকিয়ে দ্যাখ নুচিবে বাপের ফিরে না আসার সশব্দ  আর্তনাদ দু-বেলা জুমভাতের কাঙ্ক্ষিত স্বাদ আমার ছেলেদের শরীরে লেগে আছে জুমপোড়া তীব্র ব্যথাময় ফোস্কা মেয়েদের চোখে লেগে আছে দ্যাখ মুদির নেশার প্রিয় জুমগীত আর আমার প্রতিবেশীরা হাজার  সরল বিশ্বাসে প্রোথিত কতগুলো স্ট্যচু যেন এক তাই বলছিঃ তোদের আল্লাহ্‌র দোহাই লাগে হ্রাসকৃত

আদিবাসী প্রসঙ্গ – বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া

হরি কিশোর চাকমা* বাংলাদেশের আদিবাসীরা সংবিধানে আদিবাসী হিসেবে অন্তভূক্ত হবেন বা স্বীকৃতি পাবেন সে আশা আর করা যাচ্ছে না। অথচ আদালতে সংবিধান সংশোধনের রায় ঘোষণার পর থেকে আদিবাসী এবং আদিবাসী বান্ধব বাঙালিরা আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন এবার আদিবাসীদের যথাযথ মর্যাদা দিয়ে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সামিল করা যাবে। সে আশার প্রথম ধাক্কা আসে সংবিধান সংশোধন বিষয়ক সংসদীয় কমিটির কো চেয়ার সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যখন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দেশের

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের তালিকায় আদিবাসী

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুরা স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে পাশে থেকে যে সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা করেছে তা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে। এসব বন্ধুর মহানুভবতায় স্বাধীন বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পথ মসৃণ হয়েছে, আমরা মুক্ত হয়েছি, স্বাধীনতা অর্জন করেছি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর গত ২৭ মার্চ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিদেশি বন্ধুদের ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ ও ‘বাংলাদেশ

কর্ণফুলীর কান্নায় আদিবাসীদের নির্বাসন

কর্ণফুলী নদীটির নাম কর্ণফুলী হল কেন? নামকরণের ইতিহাস ঘাটতে গিয়ে জানতে পারলাম বেদনাবিধূর একটা লোককথা। এক রাজকন্যা ভালোবাসতো আদিবাসী এক রাজকুমারকে। রাজকুমারের সাথে নদীতে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর সময় রাজকন্যার কানের ফুল নদীর জলে পরে যায়। ফুলটি তুলতে রাজকন্যা ঝাঁপিয়ে পরে নদীর জলে। ক্রমশ ডুবতে থাকা রাজকন্যাকে বাঁচাতে রাজপুত্রও ঝাঁপিয়ে পরে নদীর জলে। বাঁচতে পারেনি কেউই। সেই যে রাজকন্যার কানের ফুল হারিয়ে গেল নদীর জলে তখন থেকেই এই নদীর নাম

একটি ক্লান্ত পাখির কথা…

ফুন্দরি রাঙা ঝুরবো ফেগ/ তম্মা মইলে মুই ইদু এজ…চাকমা ছড়া…রাঙা লেজের ক্লান্ত পাখি/ তোমার মা মারা গেলে আমার কাছে এসো… রক্তাক্ত এই আদিবাসী মেয়েটিকে চিনতে পারেন? গত বছর রামগড় সংঘর্ষের সময় পাহাড়ে অভিবাসিত বাঙালি সেটেলারদের সংঘবদ্ধ হামলায় কিশোরিটি গুরুতর আহত ও নিখোঁজ হয়। বলা ভাল, খাগড়াছড়ির রামগড়ে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত বছর ১৭ এপ্রিল পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন বাঙালি সেটেলার নিহত হন। পুড়িয়ে দেওয়া হয় পাহাড়ি ও বাঙালি

পাহাড়ের কান্না এবং একজন সমতলের মানুষের আত্মকথন

রাঙামাটির সাথে প্রথম পরিচয়টা আমার চাচার বাসায়। একটা বড় ওয়ালপেপার এর মাধ্যমে। পুরো ওয়ালপেপার জুড়ে রাঙামাটির সেই বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু। সেতুর নীচেই নীল জলের লেক, কাপ্তাই লেক। খুব ছোট্টবেলায় যখন সেই ছবিটা দেখেছিলাম মনে হয়েছিল এটা ঠিক আমার চেনা পৃথিবী না। এটা হয়ত পৃথিবীর বাইরের কোন জায়গা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কারনে একাধিকবার রাঙামাটি যাবার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। রাঙামাটি নিয়ে ছোট্টবেলার সে ভাবনাটা তবু একটুও বদলায়নি। এখনো এ

অনুসন্ধান করুন
ব্লগ টিপস

ব্লগের ফন্ট ছোট দেখা গেলে অথবা লেখা ছোট, পড়তে অসুবিধা হলে ctrl+ চাপুন অথবা ctrl চেপে মাউসের হুইল স্ক্রল করুন ।

সাম্প্রতিক লেখা
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ
কান পাতুন
অনলাইন টিভি
সহযোগী ফেইসবুক গ্রুপ